সৎ মা ও তার ছেলেরা অমানবিক ভাবে রাস্তায় ফেলে মারলো সৎ মেয়েকে

18th July 2020 8:02 pm রাজ্য
সৎ মা ও তার ছেলেরা  অমানবিক ভাবে রাস্তায় ফেলে মারলো  সৎ মেয়েকে


নজরুল ইসলাম বাংলার মুখ নিউজ, মালদা:সৎ মা ও তার ছেলেরা  অমানবিক ভাবে রাস্তায় ফেলে মারলো  সৎ মেয়েকে। আশঙ্কা জনক অবস্থায় মালদা মেডিক্যাল কলেজে  ইংলিশ বাজার  থানার পুলিশ উদ্বার করে ভর্তি করে।    ঘটনাটি ঘটেছে  ইংলিশ বাজার থানার নরহাট্টা অঞ্চলের সাতঘরিয়া  গ্রামে। আজ সকাল 10 টা নাগাদ  ঘটনাটি ঘটেছে। আসমা খাতুন বয়স 28 বছর  ।পাঁচ বছর বয়সে মা আকস্মিক  মারা যায়।। বাবা খলিলুর রহমান দ্বিতীয় বার বিবাহ করে। সৎ মা আসা মাত্রেই শুরু হয় আসমার প্রতি অত্যাচার।।  সৎ মায়ে র পরামর্শে 13 বছর বয়সে বিবাহ দেওয়া হয় আসমার। স্বামী র বাড়িতে শুরু হয় নানা অত্যাচার । বাবার অবহেলা সৎ মায়ের অত্যাচার এর কথা  ভেবে শশুর বাড়ীতে থাকতো।  কিন্তু হঠাৎ  করে স্বামী পাগল হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে  দিদার কাছে আশ্রয় নেয়। এর মধ্যেই জন্ম নেয় একটি পুত্র সন্তান। দিদা ভিক্ষা করে নিয়ে আসমার সংসার চালাতো। সৎ মায়ের এইসব সহ্য হতোনা । কয়েক বছর পর সৎ মা বাবা মিলে বিয়ে দিয়ে দেন আবারও যার সঙ্গে বিয়ে দেয় তার  একটি বর্তমান বউ রয়েছে আরেকটি।কিন্তু সেখানে সতীনের জ্বালা সইতে না পেরে  দিদার কাছে ফিরে আসে।কিন্তু  সতিনের বাড়িতে জোরপূর্বক পাঠানো চেষ্টা করে তার সৎ মাতা। যেতে আপত্তি করাতে ই  আসমার প্রতি শুরু হয়  অত্যাচার। মারপিট চলাকালীন এই প্রতিবেদক ঘটনার ছবি তুলতে গেলে  প্রতিবেদকে মারার জন্য ছুটে আসে কোনো রকম ভাবে পালিয়ে একটি  বাড়িতে আশ্রয় নিলে প্রাণে রক্ষা হয়। ইংলিশ থানায় অভিযোগ জানানোর পর পুলিশ ছুটে আসে ঘটনা স্থলে। হামলা কারীরা পুলিশের দেখা মাত্রই  বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়।আসমা খাতুন কে প্রতিবেশীরা  হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করলে হামলাকারীরা বাধা দেয় ।অসহায় অবস্থায় রাস্তায় ছয় ঘন্টা  পড়ে থাকার পর পুলিশ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল   কলেজে ভর্তি করে।





Others News

পঞ্চায়েত এবং রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শিবির

পঞ্চায়েত এবং রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শিবির


নিউজ ডেস্ক  বাংলার মুখ নিউজ । বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুইদিন ব্যাপী সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের ধান্যগঙ্গা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে  B.R.Ambedkar Institute of Panchayet & Rural Development-র পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার চারটি ব্লক কান্দি, ভগবানগোলা ১, নওদা এবং ফারাক্কা সংকল্প নেই 

দারিদ্র্যমুক্ত এবং উন্নত জীবিকা নির্বাহের গ্রাম"-এর লক্ষ্য হলো কোনও পরিবার যাতে আবার দারিদ্র্যের কবলে না পড়ে এবং সকল বাসিন্দার উন্নত জীবিকা অর্জনের সুযোগ থাকে । এর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ। এটি স্বচ্ছতা, সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ এবং টেকসই অনুশীলনের উপরও জোর দেয়।BRAIPRD এর  সিনিয়ার ফ্যাকাল্টি মেম্বার সুস্মিতা চোধুরী। জানান প্রশিক্ষণ গ্রহণ এর ফলে    চারটা ব্লক বাসি উপকৃত হবে।